CODE OF CONDUCT

ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়মাবলী:

০১। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ভদ্র, শালীন ও আদর্শ শিক্ষার্থীসুলভ আচরণ বাঞ্ছনীয়।

০২। ক্লাস শুরু হওয়ার ১৫ মিিিনট পূর্বে ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে।

০৩। সকল শিক্ষার্থীকে নির্ধারিত ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পোশাক পরে গলায় ঝুলিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে হবে।

০৪। প্রতিদিন সমাবেশে শৃঙ্খলার সাথে যোগ দিতে হবে এবং জাতীয় সঙ্গীত ও শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে হবে।

০৫। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক,কর্মচারী, অভিভাবকসহ সকলের সাথে শিক্ষার্থীও আচরণ হবে মর্জিত, ভদ্র এবং গ্রহণযোগ্য।

০৬। কোনো শিক্ষার্থীর আচরণ প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও স্বার্থের পরিপন্থী বিবেচিত হলে কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করতে পারবেন।

০৭। কোনো ক্রমেই স্কুলে আসা-যাওয়া,নামাজ, ও টিফিন এর সময় হৈচৈ করা যাবে না। শ্রেণিকক্ষের পাশে বা বারান্দা দিয়ে চলাফেয়ার সময় কোনো গোলমাল করা যাবে না।

০৮। কোনো শিক্ষার্থী যদি তিন দিনের বেশী অনুপস্থিত থাকে তাহলে অভিভাবকসহ কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদনপত্রের মাধ্যমে কারণ জানাতে হবে।

০৯। অসুস্থতাজনিত অনুপস্থিতির জন্য আবেদন পত্রের সাথে মেডিকেল সার্টিফিকেট/ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংযুক্ত করে দিতে হবে।

১০। কোনো কারণে স্কুলে আসতে না পারলে যথারীতি অভিভাবকের স্বাক্ষরসহ আবেদনপত্র পেশ করতে হবে। অসুস্থতা বা এড়ানো যায় না এমন পরিস্থিত ব্যতিত অন্য কোনো কারণে স্কুল ছুটি হওয়ার পূর্বে স্কুল ত্যাগ করতে পারবে না।

১১। কোনো কারণে ও সেমিস্টার পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলে পরবর্তীতে আর পরীক্ষা নেয়া হয় না।

১২। মাসিক ও সেমিস্টার পরীক্ষার মার্কশীট/ খাতা হতে পাওয়ার ৩ (তিন) দিনের মধ্যে অভিভাবকের স্বাক্ষর নিয়ে শ্রেণি শিক্ষকের নিকট জমা দিতে হবে।

১৩। ইলেকট্রনিক ডিভাইস ( মোবাইল ফোন, ট্যাব, মেমোরি কার্ড, পেনড্রাইভ, এমপি থ্রি, এমপি ফোর ইত্যাদি) স্কুলে আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।


ছাত্র-ছাত্রীর জন্য অবশ্য পালনীয়:

১। সৃষ্টিকর্তার নাম স্মরণ করে কাজ শুরু করবে।

২। মাতা-পিতা,শিক্ষক-শিক্ষিকা ও বড়দের শ্রদ্ধা করবে এবং ছোটদের আদর করবে।

৩। স্বদেশকে ভালবাসবে এবং স্বদেশের মঙ্গল সাধনের জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।

৪। সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবে। শরীর ও পোশক পরিষ্কার রাখার প্রতি সর্বদা সতর্ক থাকবে। নখ কেটে রাখবে এবং ছাত্ররা মাথার চুল ছোট করে রাখবে।

৫। অধ্যবসায়ী ও পরিশ্রমী হবে, আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে কাজ করবে ও সফলতার জন্য আল্লাহর উপর ভরসা করবে।

৬। প্রতিদিনের পাঠ শিখে বিদ্যালয়ে আসবে এবং কোনোক্রমেই বাড়ির কাজ বিদ্যালয়ে করতে পারবে না।

৭। প্রত্যেক মুসলমান ছাত্র-ছাত্রী নিয়মিত নামাজ পড়বে। বিদ্যালয়ের দিবা শাখার ছাত্ররা জোহরের নামাজ জামাআতের সাথে আদায় করবে। অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ছাত্র-ছাত্রীর নিজ নিজ ধর্মীর বিধান পালন করবে।

মাতা-পিতার/ অভিভাবকের করণীয়:

১। শিক্ষার পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য ছাত্র-শিক্ষক এবং অভিভাবকের মধ্যে সুসম্পর্ক ও সহযোগিতা একান্ত অপরিহার্য। তাই কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের সাথে অভিভাবকগণের মার্জিত আচরণ করা বাঞ্ছনীয়। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকগণ সংশ্লিষ্টদের সাথে সুসর্ম্পক বজায় রাখবেন এবং প্রয়োজনে সু-পরামর্শ প্রদান করবেন।

২। শিক্ষার্থীর যাবতীয় বিষয় অবগত হওয়ার জন্য নিয়মিত ডায়েরি দেখবেন ও অভিভাবকের স্বাক্ষরের ঘরে স্বাক্ষর করবেন।

৩। শ্রেণিতে পাঠদান করার সময় এবং পরীক্ষা চলাকালীন সময় কোনো অভিভাবক ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। বিশেষ প্রয়োজনে অফিসে যোগাযোগ করবেন।

৪। স্কুলের নিয়ম- শৃঙ্খলা মেনে চলতে, ধর্মানুরাগ সৃষ্টিতে এবং স্কুল অঙ্গনের বাইরেও চালচলনে স্কুলের আদর্শ অনুসরণের জন্য অভিভাবকগণকে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

৫। অনুপস্থিত, বিলম্বে উপস্থিত, স্বাস্থ্য, পোশাক, পরিষ্কার - পরিচ্ছন্নতা ও অন্যান্য অনিয়ম সর্ম্পকে দেয়া শিক্ষকের মন্তব্যের প্রতি অভিভাবকগণ সজাগ দৃষ্টি রাখবেন।

৬। শিক্ষার্থীদের ও প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষ কোনো সমাবেশ আহ্বান করলে তাতে উপস্থিত হওয়া অভিভাবকগণ কর্তব্য মনে করবেন।

৭। শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য রক্ষার স্বার্থে বাড়ির তৈরি খাবার দেওয়া ব্যবস্থা করতে হবে।